‘‘ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন
জানি, আইন মানি’’
জানি, আইন মানি’’
রতিবছরের মতো এ বছরও ০৯ অক্টোবর ২০১৩ উদযাপিত হতে যাচ্ছে জাতীয়
তামাকমুক্ত দিবস। এ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘‘ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন
জানি, আইন মানি’’। ২৯ এপ্রিল ২০০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ধূমপান ও
তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন ২০১৩ বাস্তবায়নের জনমত
সৃষ্টির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিষয়ের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবারের সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন
বাস্তবায়নে সাধারণ জনগনকে অনেক দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ধূমপানমুক্ত
স্থান তৈরিতে একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যেমন
১. পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপানমুক্ত সাইন স্থাপন করা
২. প্রত্যেক মালিক ও তত্ত্ববধায়কের নিজ প্রতিষ্ঠানে ধূমপানমুক্ত সাইন
স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে আইন অমান্যে জরিমানা ১০০০ টাকা
৩. নিজ প্রতিষ্ঠানে আগত অতিথিদের ধূমপানমুক্ত হতে বিরত রাখা
৪. কোন ব্যক্তি আইন লঙ্গন করে পাবলিক প্লেস বা পরিবহনে ধূমপান করলে বা
ধূমপানমুক্ত সাইন না স্থাপন করলে সাধারণ নাগরিক জেলা প্রশাসক/উপজেলা
নির্বাহী/সিভিল সার্জন/ পুলিশকে অভিযোগ দাখিল করতে পারে।
৫. এ আইনের স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষকে ধূমপানমুক্ত স্থান ঘোষনার ক্ষমতা
প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও আইনে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে
উল্লেখ্যযোগ্য হলো
১. সকল ধরনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা।
২. নাটক সিনেমায় তামাকজাত দ্রব্যে ব্যবহারের দৃশ্য প্রর্দশন নিষিদ্ধ করা।
৩. অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের নিকট হতে সিগারেট ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ করা।
৪. প্যাকেটের গায়ে ছবিসহ স্বাস্থ্যসতর্কবাণী প্রদান
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সরকার প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বাস্তবায়নের দায়িত্ব
আমাদের। আমাদের নিজেদের স্বাস্থ্য রক্ষার স্বার্থে আইনটির কার্যকর
বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তামাকমুক্ত দিবস। এ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘‘ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন
জানি, আইন মানি’’। ২৯ এপ্রিল ২০০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ধূমপান ও
তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন ২০১৩ বাস্তবায়নের জনমত
সৃষ্টির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিষয়ের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবারের সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন
বাস্তবায়নে সাধারণ জনগনকে অনেক দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ধূমপানমুক্ত
স্থান তৈরিতে একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যেমন
১. পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপানমুক্ত সাইন স্থাপন করা
২. প্রত্যেক মালিক ও তত্ত্ববধায়কের নিজ প্রতিষ্ঠানে ধূমপানমুক্ত সাইন
স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে আইন অমান্যে জরিমানা ১০০০ টাকা
৩. নিজ প্রতিষ্ঠানে আগত অতিথিদের ধূমপানমুক্ত হতে বিরত রাখা
৪. কোন ব্যক্তি আইন লঙ্গন করে পাবলিক প্লেস বা পরিবহনে ধূমপান করলে বা
ধূমপানমুক্ত সাইন না স্থাপন করলে সাধারণ নাগরিক জেলা প্রশাসক/উপজেলা
নির্বাহী/সিভিল সার্জন/ পুলিশকে অভিযোগ দাখিল করতে পারে।
৫. এ আইনের স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষকে ধূমপানমুক্ত স্থান ঘোষনার ক্ষমতা
প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও আইনে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে
উল্লেখ্যযোগ্য হলো
১. সকল ধরনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা।
২. নাটক সিনেমায় তামাকজাত দ্রব্যে ব্যবহারের দৃশ্য প্রর্দশন নিষিদ্ধ করা।
৩. অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের নিকট হতে সিগারেট ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ করা।
৪. প্যাকেটের গায়ে ছবিসহ স্বাস্থ্যসতর্কবাণী প্রদান
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সরকার প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বাস্তবায়নের দায়িত্ব
আমাদের। আমাদের নিজেদের স্বাস্থ্য রক্ষার স্বার্থে আইনটির কার্যকর
বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মো. নাছির উদ্দিন অনিক,